নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহঃ
ব্যবসায়িক সমস্যা মেটাতে গিয়ে এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠল যুব তৃণমূল এক নেতার বিরুদ্ধে।
দুই ব্যবসায়ীর ভেঙে যাওয়া পার্টনারশিপের সমস্যা মেটানোর অজুহাতে এক পার্টনারের কাছ থেকে মোটা টাকা দাবি করেছিলেন ওই নেতা। টাকা না পেয়ে তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মালদহ শহরে ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

অভিযোগ, ব্যবসায়িক সমস্যা সমাধানের নামে আড়াই লক্ষ টাকার পরেও আরো টাকা দাবি করলে তা দিতে অস্বীকার করেন চন্দন রায় নামে এক ব্যক্তি।
এমনকী চন্দনবাবুর দোকানের জিনিসপত্র তুলে নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুব তৃণমুল নেতা শুভ্রদীপ দাস ওরফে বাপি দাসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, চন্দনবাবুকে পরিবার নিয়ে মালদহ ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মাথাভাঙ্গায় মোটর বাইক সহ এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ
বিষয়টি ইংরেজবাজার থানায় অভি্যোগ জানিয়েও কোন লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। অন্যদিকে অভিযুক্ত শুভ্রদীপ দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি চন্দন রায়ের কাছ থেকে পৌনে তিনলক্ষ টাকা পান। সেই টাকা চাইতে তা না দেওয়ার অজুহাতে তাঁকে বদনাম করছেন চন্দনবাবু।
চন্দনবাবু সমস্ত ঘটনা জেলা তৃনমুল সভানেত্রী মৌসম বেনজির নূরকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তৃণমুল থেকে বিষয়টি দলীয় স্তরে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। শাসক দলের যুব নেতার এই কীর্তিতে জেলার রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584