তপন চক্রবর্তী,উত্তর দিনাজপুরঃ

উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ শহর থেকে ৮কিমি দূরে মুস্তাফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কুনোর হাট পাড়া গ্রাম টেরাকোটা শিল্পের পীঠস্থান।এই গ্রামের সমস্ত গ্রামবাসীদের জীবন জীবিকা র নাম টেরাকোটা।

কুনোর হাট পাড়ার টেরাকোটা শিল্প বর্তমানে জেলা,রাজ্য ও দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও পারি দিয়েছে।রাজ্য স্তরে পুরস্কৃত টেরাকোটা শিল্পী দুলাল রায় তার বাড়িতে এক সাক্ষাৎকারে জানান আমাদের টেরাকোটা শিল্পের আরো উন্নত করবার জন্য আমরা কুনোর হাট পাড়া গ্রামে একটি টেরা কোটা শিল্পের স্থায়ী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য বহুবার জেলার আধিকারিকদের কাছে আবেদন নিবেদন করা হয়েছে কিন্তু কোনভাবেই কিছু করা হয়নি।কুনরের হাট পাড়া গ্রামের অধিকাংশ টেরাকোটা শিল্পীদের দাবি তাদের গ্রামে যদি একটি স্থায়ী টেরাকোটা শিল্পের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলা হয় তাহলে এই এলাকার প্রচুর বেকার যুবক যুবতীরা উন্নতমানের টেরাকোটার প্রশিক্ষণ নিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।হাট পাড়ার রাজ্য স্তরের পুরস্কার প্রাপ্ত টেরাকোটা শিল্পী গোপাল রায় বলেন “আমাদের উন্নতমানের টেরাকোটার দ্রব্য বানাতে হলে ব্যাঙ্গালোর থেকে ডিজাইন আনত।প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের আরো উন্নতমানের দ্রব্য সামগ্রী বানাতে হবে।”
জানা যায় কুনরের টেরাকোটার মাধ্যমে মহিলাদের টেরাকোটার গলার মালা,কানের দুল আংটি ছাড়াও প্রচুর দর্শনীয় জিনিস তৈরি হচ্ছে।বাড়ীর বউ,ছেলে মেয়ে সবাই এই কাজের সাথে যুক্ত হয়ে ও পড়েছে।এরা কেও এম এ পাস করেও এই কাজ করছে। দুলাল রায় বলেন “আমাদের গ্রামে যদি সরকার থেকে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরী করে দেওয়া হয় তাহলে এই প্রশিক্ষন কেন্দ্রে জেলার অনেক স্থান থেকেই বেকার যুবক যুবতীরা প্রশিক্ষণ নিতে আসবে।”
কুটির শিল্পের উন্নতির কথা বলা হলেও উত্তর দিনাজপুর জেলায় কুটির শিল্পের তেমন কোন উন্নতি হয়েছে বলে এলাকার মানুষ মনে করেনা।
আরও পড়ুনঃ মেদিনীপুর শহরে দশ দফা দাবি নিয়ে জেলা কংগ্রেস মিছিল
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584