সিমা পুরকাইত,দক্ষিন ২৪ পরগনাঃ
১৪ ই ডিসেম্বর ২০১১ সালের দুস্বপ্নের কথা আজও ভুলতে পারেনি সংগ্রামপুর,মগরাহাট,উস্থি এলাকাবাসি ।বিষমদকান্ডে সরকারি মতে মৃত ১৭৩ জনের দেহ আজও কান্নার ঢল যায়নি এলাকা থেকে । সিআইডি তদন্তের পর সাত বছরের মাথায় রায় ঘোষনা মূল অভিযুক্তের চারজনের সাজার পর অনেকে সন্তুষ্ট নন ।

সরকারি ভাবে ক্ষতিপুরনে কিছুটা দুঃখ গেলেও বেদনা যায়নি সন্তান হারা বাবা মা স্ত্রী পুত্র কিংবা ভাই বোনের কাছ থেকে । আজও অনেকে ক্ষতিপুরন থেকে বঞ্চিত। তবুও আইনি সম্মানে কিছুটা হলেও মুল অভিযুক্তের সাজাতে স্বস্তির নিশ্বাস অনেকের মনে । কেউবা ফাঁসির আর্জি তুলেছেন । সংগ্রামপুরের গায়েন পাড়ার বাসিন্দা মান্নান গায়েনের খেটে খাওয়া তিন ছেলের ছিল ভরা সংসার । বিষমদে প্রান কেড়েছিল মান্নান বাবুর দুই ছেলের সাফিউল্লা গায়েন ও নাসির গায়েনের । দুই ছেলের পরিবার দু-লক্ষ টাকা ক্ষতিপুরন পেয়েছেন ঠিকই । কিন্তু অভাব যায়নি সাফিউল্লা ও নাসিরের পরিবারের কাছ থেকে । দুই ভাই মৃত্যু হলেও আজও বেঁচে হাসিবুল গায়েন । বিষমদে দুচোখ হারিয়ে অকর্মন্য হয়েছে সে ।

চার ছেলেমেয়ের খাওয়া দাওয়া ভরসা হাসিবুলের স্ত্রী। অন্ধ স্বামির ক্ষতিপুরন নিয়ে দারস্ত হয়েছিলেন ঠিকই । কিন্তু কালিকাপোতা গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে মগরাহাট একনম্বর ব্লক মুখ ফিরিয়েছে চোখ হারানো হাসিবুল্লার কাছ থেকে ।
আরও পড়ুনঃ নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য
পাননি সরকারি সাহায্য। স্ব-স্ত্রী চার ছেলে মেয়েকে নিয়ে পলিথিন দেওয়া টালির কুঁড়ে ঘরে বাস হাসিবুলের । খোড়া বাঁদশার সাজা নিয়ে মাথা ব্যথা না থাকলেও ক্ষোভ স্থানিয় প্রশাসনের উপর ।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584