নিজস্ব প্রতিবেদন, নিউজ ফ্রন্টঃ
গত ২৭ এপ্রিল হঠাৎই অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে ‘মক ড্রিল’ চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আগ্রার এক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ উঠেছিল ঘটনার দিন হাসপাতালে মৃত্যু হয় ২২ জন রোগীর। যদিও সরকারি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল ১৬ জন রোগীর মৃত্যুর ঘটনা। এরপরই ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয় যোগী সরকার। সেদিনের ওই ঘটনায় আগ্রার ওই হাসপাতালকে ক্লিনচিট দিল উত্তর প্রদেশ সরকার।

উল্লেখ্য, এই বিষয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন আগরার জেলা শাসক প্রভু এন সিং। গঠন করা হয় ৪ সদস্যের তদন্তকারী কমিটি। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১৬ জনের মধ্যে কোনো রোগী মক-ড্রিলের কারণে মারা যায়নি। ১৪ জন রোগী কো-মর্ডিবিটির কারণে এবং দু’জনের এইচআরসিটি অত্যন্ত বেশি ছিল।
আরও পড়ুনঃ ১৩ বছরের ইতিহাসে নয়া রেকর্ড, সুইস ব্যাঙ্কে রেকর্ড পরিমাণে অর্থ বাড়ল ভারতীয়দের
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হতেই দেখা গিয়েছিল স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ভগ্ন দশা। বহু হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা কার্যত থমকে গিয়েছিল অক্সিজেনের অভাবে। এমন পরিস্থিতিতে এক বেনজির সিদ্ধান্ত নেয় আগ্রার পরশ হাসপাতাল। আগ্রার ওই হাসপাতাল ঠিক করে যে ৫ মিনিটের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে ‘মক ড্রিল’ চালাবে তারা। পরীক্ষা করে দেখবেন, অক্সিজেনের অভাবে ঠিক কতজন রোগী মারা যেতে পারে, তার মূল্যায়ন করার জন্যই সেদিন মক ড্রিল চালানো হয়। এমনটাই জানা যায় ওই ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপ থেকে অভিযোগ, সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় ২২ জন রোগীর।
আরও পড়ুনঃ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে আনতে নাইট কার্ফুর মেয়াদ বাড়ল ত্রিপুরায়
অডিও ক্লিপটিতে হাসপাতাল মালিক অরিঞ্জয় জৈনকে বলতে শোনা যায়, ‘ আমাদের বলা হয়েছিল রোগীদের ছেড়ে দাও, খোদ মুখ্যমন্ত্রীও পাচ্ছেন না অক্সিজেন। আমরা হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের পরিবারকে বোঝাতে শুরু করি, কেউ কেউ বুঝলেও বেশির ভাগই হাসপাতাল ছেড়ে যেতে চাননি। তখনই মক ড্রিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সকাল সাতটায় অক্সিজেন বন্ধ করে দেওয়া হয় পাঁচ মিনিটের জন্য।’
তিনি বলেন, অক্সিজেনের অভাবে ঠিক কতজন রোগী মারা যেতে পারেন তার মূল্যায়ন করার জন্যই সেদিন মক ড্রিল চালানো হয়। তিনি আরো বলেন যে অক্সিজেন বন্ধ করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই নীল হয়ে যাচ্ছিলেন রোগীরা।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584












