পল্লব দাস,বহরমপুরঃ

আঁতকে উঠেছিল শহর বহরমপুর দিনটা ছিল ২০১৪ সালের ৬ জানুয়ারি,বহরমপুর থানার পুলিশ ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে বৃদ্ধা প্রভা দাস(৭১), তাঁর ভাইঝি বিজয়া বসু(৪৮) এবং বিজয়া দেবীর কন্যা আত্রেয়ী বসুর (১৮) দেহ উদ্ধার করে।

দেহ উদ্ধার হয় বহরমপুর শহরের আশাবরী আবাসনের ‘ডি’ ব্লকের নীচের তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে।একই পরিবারের তিন মহিলা খুন হন ৪ জানুয়ারি।দুদিন পর দেহ উদ্ধার হয়।মৃতদেহের পাশ থেকে আনুষঙ্গিক ক্লু এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পুলিশ ১০ জানুয়ারি শিলিগুড়ি থেকে অভিযুক্ত নিত্যানন্দ দাসকে গ্রেফতার করে।দেহ উদ্ধারের পর থেকেই শহর বহরমপুর এই নৃশংস হত্যা কান্ডে দোষীদের শাস্তি চেয়েছিল নীরব মোমবাতি মিছিলে।অবশেষে গতকাল দোষী সাব্যস্ত হওয়া নিত্যানন্দ জ্যোতিষীর সাজা ঘোষিত হল।
আরও পড়ুনঃ পাঁচ বছর পর দোষী সাব্যস্ত হলো জ্যোতিষী

গতকাল জেলা দায়রা আদালতে বিচারক পার্থ সারথী চট্টোপাধ্যায় তাকে ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন।আজ ছিল নিত্যানন্দ দাসের সাজা ঘোষণা করার দিন।আজ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৪৮ (অর্থাৎ অনধিকার প্রবেশ),৩২৮(কিছু খাইয়ে অজ্ঞান করে দেওয়া),৩৯২(জিনিসপত্র লুঠ),৩০২(হত্যা) ধারা তার ওপর লাঘু হলো।এর সাথে কুড়ি হাজার টাকা জরিমানা।বিচারক এও রায় দেন সরকার কোনো ভাবেই দোষী নিত্যানন্দ দাসকে কুড়ি বছরের আগে রেমিশন (ভাল ব্যবহারের জন্য কিছু দিন সাজা মুকুব) দিতে পারবেন না।সাজা ঘোষনার পর নিত্যানন্দ দাসের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় বলেন,এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হব।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584