বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা, নৈতিকতা এবং সত্যপ্রকাশের সাহস এই চারটি গুণাবলীর সম্যক উপস্থিতি হল আদর্শ সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের চারটি মূলস্তম্ভ। কিন্তু বর্তমানে সাংবাদিকতায়
অসুস্থ প্রতিযোগিতা এমন অরুচিকর পর্যায়ে চলে গেছে যে, সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতার পরিবর্তে পত্রিকার বাহ্যিক চাকচিক্য এবং পাঠকদিগের উত্তেজনা প্রদানই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।সংবাদ এখন সাংবাদিকদের কাছে স্টোরি।বেশ কিছু সংবাদপত্রের ক্লাসিফায়েড পেজে চোখ রাখলেই দেখা যায় অপসংস্কৃতির প্রকাশ। কোন সুসভ্য দেশের উপরের সারির প্রগতিশীল
সংবাদপত্রে এ ধরনের কুরুচিকর নিবন্ধ ও বিজ্ঞাপন কল্পনাই করা যায় না । প্রকারান্তরে ধর্ষণের সব উপকরণই ঐ বিজ্ঞাপনগুলিতে প্রকটভাবে তুলে ধরা হয় ।
অবাক লাগে সমাজের কোন স্তর থেকে এর কোন প্রতিবাদ হয়না কারন বানিজ্যিক বাধ্য বাধকতা। রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী, প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তি, সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যাক্তি,শিল্পী, সাহিত্যিক-সবাই নিশ্চুপ। প্রায় আধ পাতা জুড়ে এই সমস্ত বিজ্ঞাপন রমরমিয়ে ছাপা হয়। সবাই পড়েন, কারোর নজর এড়ানো
সম্ভব নয় । এমনকি এইসব পত্রিকাগুলোয় যাঁরা নিয়মিত লেখালেখি করেন, তাদেরও নিশ্চয়ই কোনো না কোন সময় নজরে পড়ে।এই আমরাই আবার ধর্ষণের প্রতিবাদে মতামত প্রকাশ করি ঘটা করে।
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584












