কৌশিক মাইতি

অনুপ্রবেশকারী,অবৈধ বাংলাদেশি মুসলমান, ঘুসপেটিয়া,খিলঞ্জীয়া- এই শব্দগুলো ইদানীং মানুষের মুখে মুখে ঘোরে।ভারত থেকে বাংলাদেশি মুসলমান তাড়াও,আসামের জমি-জায়গা,চাকরিতে ভাগ বসাবে কেন বাংলাদেশীরা?- নানা কথা শোনা যাচ্ছে।গত ৩০ শে জুলাই আসামে নাগরিকপঞ্জী তালিকা প্রকাশিত হয়। প্রায় ৪০ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়ে,তারা আপাতত রাষ্ট্রহীন নাগরিক।এই চল্লিশ লাখ মানুষের প্রায় ৩৮ লাখ বাঙালি।

ছবিঃনিবন্ধকার

অবৈধ বাংলাদেশি মুসলমান তাড়ানোর মিথ্যে মোড়ককে সামনে রেখে প্রচারে ঝাঁপায় হিন্দুত্ববাদীরা।বর্তমান ভারতের সমাজ ধর্ম বিদ্বেষের জ্বরে আক্রান্ত,তাই কোনো কিছু না জেনে-বুঝেই মিথ্যে গল্পকে গপগপ গেলে একটা বড় অংশের হিন্দু।ভারতের বড় বড় সংবাদমাধ্যম, সর্বগ্রাসী সামাজিক মাধ্যম সর্বোপরি বিজেপির কুখ্যাত আই টি সেল সত্যকে আড়াল করে এন আর সি নিয়ে মানুষের কাছে মিথ্যে তথ্য পরিবেশন করে। সুপ্রীমকোর্টের তত্ত্বাবধানে হচ্ছে,এই যুক্তিকে ঢাল করে বাস্তবতাকে বুল ডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।কিন্তু ঘটনার আকস্মিকতা কেটে গেছে।বেশ কিছু দিন অতিক্রান্ত, পরিবেশ ঠান্ডা হচ্ছে, সত্য সামনে আসছে। ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়ে পড়ছে,কোনো ভাবেই আর ওই যুক্তিগুলো ধোপে টিকছে না। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার আগে দ্রুত ইতিহাসে নজর ঘোরানো যাক,যা বর্তমান পরিস্থিতি বুঝতে সাহায্য করবে।

১৮৭৪ সাল,বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি ভেঙে ব্রিটিশ সরকার জন্ম দেয় আসামের।এই আসাম কি শুধু মাত্র অসমীয়াদের ছিল? উত্তর: না।বাঙালি অধ্যুষিত একটা বড় এলাকা আসামের সীমানার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।অর্থাৎ জন্মলগ্ন থেকেই বাঙালি ভূমিপুত্র।১৯০৫ এ বঙ্গভঙ্গ হয় এবং বাঙালির প্রতিবাদে তা রদ হলেও,আসামের ওই বাঙালি এলাকা আসামেই থেকে যায়। ১৯৪৭ সাল আসে, বাংলা ভাগ হয়।যাকে সকলে দেশ ভাগ বলে, আসলে বাংলা ও পাঞ্জাব ভাগ হয়। দেশভাগের সময় কোথাও গণভোট হয়নি, হয়েছিল একমাত্র আসামের একটা অংশে।কুখ্যাত অসমীয়া নেতা গোপীনাথ বড়দলৈ চেয়েছিলেন পুরো বাঙালি এলাকা পূর্ব পাকিস্তানে চলে যাক। কেন?তখন তো অবৈধ অনুপ্রবেশের ধারণা ছিল না।তাহলে কেন এই বাঙালি বিদ্বেষ? আসলে,বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির রাজধানী ছিল কলকাতা। রাজধানী কেন্দ্রিক আধিপত্য ছিল এবং নবজাগরণের ছোঁয়ায় বাঙালি এলিট ক্লাস তৈরি হয়,যারা চাকরি-বাকরি ও নানান সুযোগ সুবিধার সিংহভাগ দখল করে। যা অসমীয়াদের ক্ষোভের কারণ ছিল। এছাড়া অসমীয়া ভাষাকে বাংলারই একটা উপভাষা বলা হত,স্বাধীন ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়নি। যে দোষে দোষি ছিলেন রবি ঠাকুরও।যাই হোক, গণভোটের সময় চা বাগানের বাঙালি শ্রমিকদের ভোটাধিকার দেওয়া হয়নি,বাঙালি এলাকা যাতে পূর্ব পাকিস্তানে যায় তা নিশ্চিত করাই লক্ষ্য ছিল অসমীয়া নেতাদের।তারপরও গণভোটের ফলে একটা অংশ আসাম তথা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়, একটা বড় অংশ বাংলাদেশে যায়।যা আজ সিলেট।সুতরাং, আশা করি,বাঙালি বিদ্বেষের কারণ স্পষ্ট হল।এরপর বাঙালি বিদ্বেষ ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে,বাঙালি বিরোধী শক্তি সক্রিয় হয়।পঞ্চাশের দশকে শুরু হয় “বঙ্গাল খেদাও” আন্দোলন। হাজারে হাজারে বাঙালি পশ্চিমবঙ্গে চলে আসেন।তখন কি বাংলাদেশি অবৈধ মুসলিমের ধারণা ছিল? সমস্যা ছিল? দৃঢ় ভাবেই বলা যায় ছিল না। তাহলে কাদের উপর রাগ? জমি-জায়গা, সম্পত্তি ও চাকরি-বাকরি কাদের বেশি?বলা দরকার? ঠিক আছে,সবকিছুই স্পষ্ট হওয়া দরকার। উত্তর,বাঙালি হিন্দু। তাই আসামে টার্গেট কারা বোঝাতে পারলাম?

১৯৬১ তে বরাক উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী ভাষা আন্দোলন হল, বাঙালি বলি হল। আসামের মাটিতে বাংলা ভাষা ও বাঙালির অধিকার আদায়ের লড়াই লড়তে হল,১১ জন শহীদ হলেন,যার স্মৃতি আজও শিলচর স্টেশনে জ্বলজ্বল করছে।বারবার ভাষা আন্দোলন হয়,প্রাণ যায় বাঙালির।জাতি দাঙ্গা হয়,যার লক্ষ্যই বাঙালি।ভয়ঙ্কর গণহত্যাও হয়।বাঙালি মুসলমানদের একটা অংশকে চাপ দিয়ে ও নানান প্রলোভন দেখিয়ে অসমীয়া বানানো হয়।এর ফলে বাঙালি হিন্দু-মুসলিমে বিভাজন স্পষ্ট হয়,এটা অসমীয়ারা পরিকল্পনা করেই করেছে।সত্তর ও আশির দশকে বাঙালি বিরোধী আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। “আসাম অসমীয়াদের” এই ছিল মূল লক্ষ্য। নেলি গণহত্যা গোটা পৃথিবীর ইতিহাসে এক লজ্জাজনক ঘটনা। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয় আসু(All Assam Students Union)। যার প্রাক্তণ সভাপতি আজ আসামে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ বাঙালি বিরোধী আন্দোলনের খলনায়ক আজ আসামে তথা ভারতে বাঙালির ভবিষ্যত নির্ধারক। বুঝলেন কিছু?এই আসুর চাপে,আসামে ভোট সুনিশ্চিত করতে রাজীব গান্ধী আসুর সাথে একতরফা ভাবে “আসাম চুক্তি” স্বাক্ষর করেন, যার ফলশ্রুতি এই এন আর সি। সেদিনই আসামে বাঙালির কবর খোঁড়া শুরু। ইতিহাসটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।বাঙালি বিতাড়ণের প্রক্রিয়া বহু আগেই শুরু হয়েছে। এবার বর্তমানে ফিরে আসা যাক।

বলা হচ্ছে সুপ্রীম কোর্টের তত্ত্বাবধানে হচ্ছে এন আর সি।এন আর সি বৈধ নাগরিকত্ব প্রমাণের প্রক্রিয়া,এতে খারাপের কিছু নেই তো।এই খবর সব জায়গায় শুনেছেন। এবার কেঁচো খুঁড়তে শুরু করা যাক,কেউটে বেরোয় কিনা সময় বলবে।প্রথমত, সুপ্রীমকোর্টে ২২ জন বিচারক,একজন অসমীয়া,নাম রঞ্জন গগৈ।কিছু মাস আগেই তিনি প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন,কি নীতিবান,আদর্শ বিচারক।এবার বলুন তো একজন বিচারক (রঞ্জন গগৈ)কিভাবে আসামের এন আর সি সংক্রান্ত সব কেসের দায়িত্ব পান?এটা কাকতালীয়?যেখানে বাঙালি বিদ্বেষের দীর্ঘ ইতিহাস আছে,একজন অসমীয়া বিচারক দায়িত্ব পাওয়ার সাথে স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন আসা অস্বাভাবিক? উত্তর আপনারা খুঁজুন। দ্বিতীয়ত,এন আর সির নথি পরীক্ষা কারা করছেন?আসামের সরকারি কর্মী এবং কিছু অস্থায়ী ঠিকা কর্মী।এরা কাদের লোক? সুপ্রীম কোর্টের? না আসাম গণ পরিষদ, আসু, আরএসএস-বিজেপির?উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই আশা করি।মুখ্যমন্ত্রীর ইতিহাস তো সবাই জানেন।ডি ভোটারের নোটিশ কারা দিচ্ছেন? সুপ্রীম কোর্ট নিযুক্ত মানুষ?উত্তর : না। তাহলে কারা?আশা করি বুঝেছেন।ডি ভোটারের নোটিশ পাওয়া ভয়ংকর।ডি ভোটার হওয়ার অর্থ তাঁর ও তাঁর পরিবারের কারোরই এন আর সি তে নাম উঠবে না, বিচার হবে ফরেন ট্রাইবুনালে।আশ্রয় হবে ডিটেনশন ক্যাম্প, মানে জেল।
ফরেন ট্রাইবুনালে কেস জিতে অনেকেই এখনও ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী। ডিটেনশনে ক্যাম্পে অকথ্য অত্যাচার চলছে,রেহাই নেই কারোরই।১০২ বছরের বৃদ্ধ চন্দ্রধর দাসের পরিনতির কথা আমরা সবাই জানি। হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে মহিলাদের উপর অকথ্য অত্যাচার চলছে। আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছেন অনেকে, রোজ রোজ নতুন খবর আসছে।

এবার আসা যাক, দরকারি ডকুমেন্টসের কথায়। ৫০-৬০ বছর আগের জমি বাড়ির দলিল,স্কুল সার্টিফিকেট,বার্থ সার্টিফিকেট, ১৯৭১ র আগের ভোটার লিস্টে নাম,টেলিফোনের বিল ইত্যাদি।বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, বাংলার কত শতাংশ মানুষের কাছে এই ডকুমেন্ট পাওয়া যাবে?এই সব প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ছিল না অসমীয়াদের কাছেও।কিন্তু তাদের বাঁচাতে নতুন কোটা আসে, Original Inhabitant(OI), অর্থাৎ পদবী দেখে দেখে অসমীয়াদের খিলঞ্জীয়া বলে এন আর সি তে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাঙালিদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয় কেন? বাঙালিও তো ভূমিপুত্র।বাঁচানো হয় কিছু কোচ-বরো-নেপালি-রাজবংশী ইত্যাদি উপজাতির মানুষকে, অবশ্য অনেকেই বিপদে।নাম বাদ যায় কিছু সংখ্যক হিন্দিভাষীর। হিন্দিভাষীদের নানান সংগঠন দারস্থ হোন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহের দরবারে।রাজনাথ সিং ঘোষণা করেন,একজন হিন্দিভাষীর নামও বাদ দেওয়া যাবে না।আমরা তো জানতাম,এন আর সি সুপ্রীম কোর্টের তত্ত্বাবধানে এন আর সি হচ্ছে।তাহলে রাজনাথ সিং কিভাবে নিশ্চয়তা দিলেন?প্রশ্ন করবেন না? হিন্দিভাষীরা সাচ্চা ভারতীয়,কিন্তু বাঙালিরা?

এন আর সি র যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে প্রায় ৩৮ লক্ষ বাঙালির নাম নেই। কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, প্রায় ২২-২৫ লাখ হিন্দু বাঙালি।বরাকের হোজাইয়ের বিজেপি এমএলএ শিলাদিত্য দেব নিজমুখে তা বলেছেন। আমরা-আপনি তো জানতেন,অবৈধ মুসলমান তাড়ানো হবে, তাহলে ২৫ লাখ হিন্দু বাঙালির নাম নেই কেন?কেউ কি তাহলে রাজনৈতিক স্বার্থে মিথ্যে বলেছিল?উত্তর আপনি খুঁজুন,উত্তর পাওয়া জরুরী।এই তালিকায় বাবার নাম আছে,ছেলের নাম নেই। কোথাও বউয়ের নাম আছে,স্বামীর নেই, উল্টোটাও।কোথাও মেয়ের নাম আছে, বাবার নাম নেই। কাকতালীয়?যুক্তি দিয়ে বাখ্যা করা সম্ভব?তার মানে শুধু মাত্র ৪০ লাখ মানুষ না, বিপদে প্রায় ১ কোটি মানুষ (২০-৩০ লাখ পরিবার)। নাগরিকত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, যেখানে সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যত, জীবন-মরণের প্রশ্ন, সেখানে এরকম ভুলগুলো কি নিছক পদ্ধতিগত ত্রুটি? আতঙ্কে-উদ্বেগে অনেকের মৃত্যু হয়েছে, এই মৃত্যুর দাম কে দেবে।লাখ লাখ পরিবার শেষ হয়ে যাচ্ছে, ইতিহাস তা মনে রাখবে।হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে বাঙালি অত্যাচারিত,বাঙালি খেদানোই মূল লক্ষ্য, এই সত্য কি বোঝা যাচ্ছে না? হিন্দু-মুসলমান বিভাজন করলে অসমীয়া নেতারা, বিজেপি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছোতে পারবেন।এই সহজ সত্য কি বাঙালি বুঝতে পারছে না?অবৈধ মুসলমানের কথা সামনে এনে কার্যসিদ্ধিই একমাত্র লক্ষ্য।এন আর সি তে নাম না ওঠার কারণ হিসাবে অনেকক্ষেত্রে দেখানো হয়েছে “নো রিজন”, “টেকনিক্যাল রিজন” ইত্যাদি।এই “নো রিজন” এর মানে কি?এটা কি ছেলেখেলা?নো রিজনের মানে স্পষ্ট, “ইউ আর এ বেঙ্গলি”।

এবার আরও এক ভয়ংকর সত্য বলা যাক। এন আর সি নিয়ে সাম্প্রতিক একটা SOP (Standard Operating Procedure) তৈরি হয়েছে। অবজেকশন দেওয়া নিয়ম সহজ করে দেওয়া হয়েছে,যে যতজনের ইচ্ছে অভিযোগ জানাতে পারেন।শাস্তির কোনো বিধান নেই,আগে ছিল। এটা কার জন্য?কার স্বার্থে? এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে, অভিযোগকারীরই অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব থাকা উচিত। আসামের যা পরিস্থিতি, বাঙালিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে বলছেন নানা রাজনৈতিক দল। অর্থাৎ এই ৪০ লাখ বেড়ে ৫০, ৬০ এমনকি ৭০ লাখও হতে পারে। বেছে বেছে নতুন নাম সংযোজন এবং বাদ দেওয়া সময়ের অপেক্ষা।কারণ অসমীয়া নেতারা এই ৪০ লাখে খুশি না, যদিও তারা এবং নানা জঙ্গি সংগঠন ৩০ শে জুলাই মিষ্টি মুখ করেছিলেন ৩৮ লাখ বাঙালির নাম বাদ যাওয়ার খুশিতে। সুতরাং ফাইনাল লিস্টই বলবে কত লাখ বাঙালি রাষ্ট্রহীন,উদ্বাস্তু হবে।

১৪ বছরের নীচের বাচ্চাদের আইনি প্রক্রিয়ার আওয়াত আনা যায় না।কিন্তু এন আর সি তে নাম না থাকা প্রায় ৬ লক্ষ বাচ্চাকে কোয়াসি-জুডিসিয়াল প্রসেসের মধ্য দিয়ে যেতে হবে,যা নিয়ম বিরুদ্ধ,মানবাধিকার লঙ্ঘন।এর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ প্রয়োজন।এছাড়া আসামের বাঙালি অধ্যুষিত ৭ জেলায় এখনও ১৪৪ ধারা জারি আছে,সেনা টহল দিচ্ছে।কেন?

আশা করি আসামের ইতিহাস ও বাস্তবতা বোঝাতে পারলাম। অবৈধ মুসলমান তাড়ানোর মিথ্যের বেশাতি খসে পড়ছে, সত্য সামনে আসছে। নানান ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহকে পরপর যোগ করলেই স্পষ্ট হবে এই এন আর সি বাঙালিকে তাড়ানোর আইনি শিলমোহর মাত্র। আজ আসামের বাঙালি অস্তিত্বের সংকটে। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালি বঞ্চিত,বাঙালি আতঙ্কে ভুগছে।সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যত। শেষে কয়েকটা প্রশ্ন, এই রাষ্ট্রহীন নাগরিকরা কোথায় যাবে?তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হবে?বাংলাদেশ নেবে? তাদের ঠিকানা ডিটেনশন ক্যাম্প? তারা বন্দি শ্রমিক হবে? উত্তর খুঁজুন!

আরও পড়ুনঃ কেশপুরে বেহাল রাস্তা,সারাইয়ে গদাইলস্করি চাল প্রশাসনের

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here