পঞ্চায়েত ভোটের আগে তপনে ফের তৃণমূল বনাম তৃণমূলের লড়াই

0
107

নিজস্ব সংবাদদাতা,দক্ষিণ দিনাজপুর

বছর দুয়েক আগে গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে খুন হয় তপন থানার রামপাড়া-চেঁচরা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান লুতফর রহমান।
সেই পঞ্চায়েত এলাকাতেই গতকাল রাতে বাড়িতে টিভি দেখার সময় ঘরে ঢুকে এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা।দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলি পেশায় কৃষক মফিজউদ্দিন মিঞার বুকের ডান দিকে লাগে।সাথে সাথেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।গুলিয়ে চালিয়েই এলাকা থেকে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় মফিজউদ্দিন মিঞাকে প্রথমে গঙ্গারামপুর হাসপাতাল পরে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।পুরানো শত্রুতা নাকি অন্য কোনো কারণে এই গুলি চালনার ঘটনা তা নিয়ে ধন্দে রয়েছে পুলিশ।তবে স্হানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, উপপ্রধান খুনের ঘটনার জেরেই এই গুলি চালনা।অভিযোগ আহত ব্যক্তি উপপ্রধান খুনের সাথে জড়িত ছিল।ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।পঞ্চায়েত ভোটের আগে গোষ্ঠীকোন্দল যে আরও বাড়বে আশঙ্কায় গ্রামবাসীরা।

এদিকে তপন থানার ১০নং মালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধানকে সরিয়ে দিল তৃণমূলের অপর গোষ্ঠী।১২টি আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতে ২০১৩ সালের নির্বাচনে তৃণমূলের দখলে ছিল ১০টি আসন।দুটি ছিল বামেদের।সেসময় প্রধান নির্বাচিত হয়েছিলেন তৃণমূলের সরলা বর্মণ।তিনি এবং তার স্বামী শঙ্কর বর্মণ জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্রের অনুগামী ছিলেন।তবে এই মূহুর্তে ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় মন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদার প্রভাব সবচেয়ে বেশী।অভিযোগ মন্ত্রী এবং জেলা সভাপতির গোষ্ঠী বিবাদের জেরেই প্রধান সরলা বর্মণের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে তৃণমূলের আদরী বর্মণের নাম প্রস্তাব হয় এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে নতুন প্রধান নির্বাচিত হন।

গতকালের দুটো ঘটনাতেই প্রমাণ তপন ব্লক জুড়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যে বেড়েছে তা পঞ্চায়েত ভোটের আগে আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা।

নিউজফ্রন্ট এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 94745 60584

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here